কোনো আসন জয়লাভ করেন না। তাদের কণ্ঠস্বর যেন সংসদে থাকে সেই ব্যব্স্থা রাখা হয়েছে।

কোনো আসন জয়লাভ করেন না। তাদের কণ্ঠস্বর যেন সংসদে থাকে সেই ব্যব্স্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে বিচার বিভাগকে স্বাধীন করতে বলা হয়েছে। ইনসাফ, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের রাষ্ট্র চাইলে পরিবর্তনে হ্যাঁ দিতে হবে। সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য নিন্মকক্ষের পাশাপাশি উচ্চ কক্ষ প্রভাব সৃষ্টি করবে। আমরা চাই সংবিধান সংশোধন যেন ছেলেখেলা না হয়। একজন ব্যক্তি যেন সংবিধান সংশোধন করে ফেলতে না পারে। তত্ববধায়ক সরকার ছাড়া আমাদের দেশে কোনো নিরপেক্ষ ভোট এখনও হয়নি। এজন্য এই বিধান রাখা হয়েছে।

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ বুঝে করছে ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে। আর কেউ না বুঝে। কেউ বলছে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না, সংবিধানে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ব থাকবে না। এগুলো ভুল। সবই থাকবে সংবিধানে। তাই আসুন, সবাই গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাই। আপনারা সমাজে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারেন। আপনাদের মানুষ সম্মান করে। তাই গণভোটে হ্যাঁ দিতে বলুন।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (সিনিয়র সচিব) মনির হায়দার, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।