দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজন থাকবে না: শাহজাহান চৌধুরী
নিজস্ব প্রতিনিধি, খোরশেদ আলম (চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা) সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার ও হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, “ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু আর সংখ্যা গুরুর কোনো বিভাজন থাকবে না। আমরা সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ।”
গত শুক্রবার দিনব্যাপী সাতকানিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উন্নয়নের অঙ্গীকার ও অতীতের হিসাব
সাবেক এই সংসদ সদস্য তাঁর বক্তব্যে অতীতের উন্নয়নের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “আমি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের এমপি নির্বাচিত হয়ে এলাকাবাসীকে দেওয়া ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি। আমি এমপি থাকাকালীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত প্রতিটি পাইপয়সার হিসাব ‘প্রয়াস’ নামীয় পত্রিকার মাধ্যমে জনগণের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, ২০০১ সালে জনগণ তাঁকে নির্বাচিত করেছিল বলেই তিনি সাতকানিয়াকে পৌরসভায় রূপান্তর করতে পেরেছেন।
গণসংযোগের এলাকা
শাহজাহান চৌধুরী শুক্রবার সকাল থেকে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জলদাশ পাড়া, সৈয়দ আসকর খন্দকার পাড়া, পরশমণি হাসপাতাল, কালাচাঁদ পাড়া, দেব পাড়া, বনিক পাড়া, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছগিরা পাড়া, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খলিফা পাড়া ও আশেকের পাড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জনসংযোগ করেন। এসময় তিনি বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং আগামীতে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ চেয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার জন্য জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানান।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
পথসভা ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন:
অধ্যাপক জাফর সাদেক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য।
জসিম উদ্দিন: সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
মাওলানা আবুল ফয়েজ: চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের ওলামা বিষয়ক সম্পাদক।
অধ্যক্ষ হামিদ উদ্দিন আজাদ: সাতকানিয়া পৌরসভা জামায়াতের আমীর।
মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম: পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারী।
আহমদ হোসাইন: টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মোঃ আইয়ুব আলী: সাতকানিয়া জামায়াতের যুব বিষয়ক সম্পাদক।
এছাড়াও জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।