নগরীর ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের মনসুরাবাদের মিয়া বাড়ি থেকে মোল্লা পাড়া; প্রায় এক কিলোমিটারের সড়কটি খানাখন্দে ভরা। সপ্তাহে চার থেকে পাঁচদিন সড়কটিতে পানি জমে থাকে। ফলে শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রায় দেড় বছর আগে চট্টগ্রাম ওয়াসা সড়কটি কেটে পানির লাইনের কাজ শুরু করে। ওয়াসার কাজ শেষ হলেও দুর্ভোগ শেষ হয়নি এলাকাবাসীর। ভাঙা সড়ক ও পানি জমে থাকায় প্রায়শই রিকশা উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হবে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মনসুরাবাদের মিয়া বাড়ি থেকে মোল্লা পাড়া পর্যন্ত পাইপলাইনের কাজ করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। মাস দুয়েকের মধ্যে ওয়াসার কাজ শেষ হয়। এরপর ওয়াসা কোনওরকমে কাটা সড়কটি মেরামত করে দেয়। তবে কার্পেটিং না করায় এই সড়কের বিভিন্ন অংশে পানির লাইন লিকেজ হয়ে সড়কে পানি জমে যাচ্ছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
মিয়া বাড়ি সংলগ্ন মা ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী জুয়েল জানান, প্রায় সাত বছর ধরে এখানে দোকান পরিচালনা করছি। কিন্তু এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি। এক বছরের বেশি সময় ধরে সড়কটি এভাবে রয়েছে। কোন সংস্থা সংস্কার করছে না। সপ্তাহের চার থেকে পাঁচদিন সড়কে পানি থাকে। বয়স্ক ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচলে খুব অসুবিধা হচ্ছে।
এলাকার আইয়ুব আলী চৌধুরীর নাতি মো. সোহেল বলেন, ভাঙা সড়ক ও সড়কে সবসময় পানি জমে থাকায় এ এলাকার বসিন্দারের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কোন মেহমানও আসতে চান না। রিকশা উল্টে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে। সিটি কর্পোরেশনকে অনেকবার জানিয়েছি; এখনও কোন সুরাহা হয়নি।
জানতে চাইলে চসিকের সহকারী প্রকৌশলী গাজী মো. কামরুল হাসান বলেন, সড়কটিতে এতদিন ওয়াসার কাজ চলমান থাকায় আমরা কাজ শুরু করতে পারিনি। সম্প্রতি ওয়াসার কাজ শেষ হওয়ায় সংস্থাটির পক্ষ থেকে আমাদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। এরপর আমরা সেখানে কাজ শুরু করেছি।