
সদ্য গ্রেফতার হওয়া সাংবাদিক আহমেদ কবির–এর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত চাঁদাবাজির মামলাটি আদৌ প্রকৃত ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত ও সাজানো—এ প্রশ্ন এখন সাংবাদিক সমাজের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ঘটনাটিকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও সংশয়ের সৃষ্টি হওয়ায় বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ।
পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং পেশার মর্যাদা ও স্বাধীনতার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই মামলার পেছনের প্রকৃত প্রেক্ষাপট, অভিযোগের ভিত্তি, সাক্ষ্য-প্রমাণের যথার্থতা এবং গ্রেফতারের প্রক্রিয়াগত দিকগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হবে।
এ লক্ষ্যে একঝাঁক মেধাবী, চৌকস ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন। তারা সংশ্লিষ্ট থানার নথিপত্র, অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং স্থানীয় সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন। পাশাপাশি আইনজীবীদের সঙ্গেও পরামর্শ করে মামলার আইনগত দিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ আরও জানিয়েছে, যদি প্রমাণিত হয় যে মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা হয়রানিমূলক, তবে তা প্রতিহত করতে সংগঠনটি আইনি ও সাংগঠনিকভাবে দৃঢ় অবস্থান নেবে। একই সঙ্গে আহমেদ কবিরকে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হবে, যাতে তিনি ন্যায়বিচার পান এবং সত্য উদঘাটিত হয়।
সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, সত্য উদঘাটনের এ প্রয়াস কেবল একজন ব্যক্তির জন্য নয়; এটি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। এখন সবার দৃষ্টি অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদন ও আইনগত প্রক্রিয়ার দিকে—সত্যই শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হোক, এ