হেভিওয়েট গিয়াস কাদেরকে চ্যালেঞ্জ দিতে চায় মঞ্জু-নুরী

উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীদের সরাসরি কথা শোনার সুযোগ পাচ্ছেন ভোটাররা, তুলে ধরছেন নিজেদের প্রত্যাশা ও এলাকার সমস্যা।

 

 

 

 

 

জানতে চাইলে বিএনপির প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী পূর্বকোণকে বলেন, ‘আমি একটি ঘোষণাপত্র করেছি। নির্বাচিত হলে সেই ভিত্তিতে কাজ করবো। তবে রাউজানকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে যেভাবে কলঙ্কিত করা হয়েছে, সন্ত্রাস নির্মূলের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে হবে। এটা হবে আমার প্রধান কাজ। পাহাড় থেকে যেভাবে মাদক নামছে, তাতে নতুন প্রজন্ম ধ্বংস হওয়ার উপক্রম। এ জন্য মাদক নির্মূল করা হবে। এছাড়া হালদা ও কর্ণফুলীর ভাঙ্গনরোধ, হালদা নদী ড্রেজিং করা হবে। যুবকদের বেকারমুক্ত করার জন্য কৃষি এবং রেমিটেন্স নির্ভরতার উপর জোর দেয়া হবে।’

 

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমার পেছনে অত্যাচারী ও সন্ত্রাসীদের হাঁটার কোনো সুযোগ নেই। রাউজানকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করা হবে। বিএনপি কখনোই সন্ত্রাস কিংবা চাঁদাবাজির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।’

 

 

 

জোরেশোরে নির্বাচনী প্রচারণা করছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও রাউজান উপজেলা আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান মঞ্জু। প্রচারণাকালে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও দলের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন তিনি।

 

 

 

শাহজাহান মঞ্জু বলেন, স্বৈরশাসনের কারণে মানুষের গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকার বারবার বিপন্ন হয়েছে। ক্ষুধা ও দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পায়নি এদেশের শ্রমজীবী মানুষ। নারীরা হয়েছেন নির্যাতিত ও নিগৃহীত। শিক্ষার্থীরা পায়নি শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ, পায়নি মানসম্মত শিক্ষা। বেকারত্ব যুব সমাজকে করেছে হতাশাগ্রস্থ। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনরা ছিলেন এসব বিষয়ে নির্বিকার এবং দুর্নীতির মহোৎসবে। এমনই এক পরিস্থিতিতে বাংলদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশকে জুলুম-শোষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপদ রাউজান গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাউজান আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে আমাকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা এবং একইসাথে রাষ্ট্রসংস্কার করার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।’