নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | ৬ মে, ২০২৬
চট্টগ্রামের সাংবাদিকতা জগতের পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট কলামিস্ট এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারার অগ্রপথিক মো. কামাল উদ্দিন সম্প্রতি এক ভিন্নধর্মী সময় কাটালেন আগ্রাবাদের ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস এসকেএস’ (Best Western Plus SKS)-এ। গতানুগতিক সংবাদ সংগ্রহের বাইরে গিয়ে একজন সৃজনশীল মানুষের অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তিনি তুলে ধরেছেন আধুনিক নগরজীবন আর যান্ত্রিকতার মাঝে আত্মানুসন্ধানের গল্প।
বিশ্বভ্রমণকারীর চোখে চট্টগ্রামের নান্দনিকতা
বিশ্বের ২৮টি দেশে ৫৩ বার সফর করার এক বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে মো. কামাল উদ্দিনের ঝুলিতে। পৃথিবীর বহু নামী-দামী শহর ও নান্দনিক স্থাপত্য দেখার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি যখন ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস এসকেএস’-কে মূল্যায়ন করেন, তখন তার গুরুত্ব বেড়ে যায় বহুগুণ। হোটেলের ১৭ তলার নিভৃত কোণে বসে তিনি যেন বিদেশের কোনো আধুনিক স্থাপত্যের সাথে নিজ শহরের এই অগ্রযাত্রার মেলবন্ধন খুঁজে পাচ্ছিলেন। তাঁর ভাষায়, “আজ আমি এখানে বসে আছি একজন মানুষ হয়ে নয়—একটি অনুভূতি হয়ে, একটি চলমান কবিতা হয়ে।”
কলামিস্টের ভাবনায় শহর ও প্রকৃতি
একজন সচেতন কলামিস্ট হিসেবে মো. কামাল উদ্দিনের চোখে ধরা পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমজীবী মানুষের কর্মচাঞ্চল্য আর কর্ণফুলী নদীর প্রবাহ। ১৭ তলার ছাদ থেকে যখন তিনি শাহ আমানত সেতু বা মেরিন একাডেমি দেখছিলেন, তখন তাঁর চিন্তায় ছিল এই শহরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। ব্যস্ত আগ্রাবাদের কংক্রিটের দালান আর বন্দরের জাহাজগুলোর মাঝেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন জীবনের আসল ছন্দ।
আতিথেয়তা ও পেশাদারিত্বের মূল্যায়ন
‘দ্যা টুরিস্ট’ পত্রিকার ডেপুটি এডিটর হিসেবে একটি মাল্টিমিডিয়া ডকুমেন্টারি নির্মাণের লক্ষে তাঁর এই সফর। হোটেলের প্রতিনিধি বাবলুর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি কেবল সুযোগ-সুবিধাই দেখেননি, বরং এখানকার কর্মীদের আন্তরিকতাকে উচ্চকিত করেছেন। তাঁর মতে, এখানকার সেবার মান কেবল প্রশিক্ষণলব্ধ নয়, বরং তা আসে মানবিক মূল্যবোধ ও হৃদয়ের গভীর থেকে।
আসছে বিশেষ ডকুমেন্টারি
পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে মো. কামাল উদ্দিনের এই সফরটি শীঘ্রই একটি বিশেষ মাল্টিমিডিয়া নিউজ ও ডকুমেন্টারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রবীণ কলামিস্টের চোখ দিয়ে বেস্ট ওয়েস্টার্ন এসকেএস-এর আভিজাত্য এবং চট্টগ্রামের নৈসর্গিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হবে।
ফিরে যাওয়ার বেলায় এই বর্ষীয়ান লেখক ও সাংবাদিক মন্তব্য করেন—এই অভিজ্ঞতা তাঁর ভেতরে একটি অসমাপ্ত কবিতা আর অমলিন স্মৃতি হয়ে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকবে।