
কক্সবাজার সংবাদদাতা
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে নেমেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এক ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ৩০টিরও বেশি অবৈধ ও অস্থায়ী দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দেওয়া সাত দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই অভিযান শুরু করে পর্যটন সেল।
এর আগে গত সোমবার (৯ মার্চ) জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে দুই দিন মাইকিং করার পর আজ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজু বিন আফনানের নেতৃত্বে শ্রমিকরা সুগন্ধা পয়েন্টের ফিশ ফ্রাই মার্কেট ও ঝাউবাগান এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানে অস্থায়ী দোকানগুলো ভেঙে তিনটি ট্রাকে করে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, তাঁরা প্রশাসনকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে সেখানে দোকান বসিয়েছিলেন। বৃহত্তর সুগন্ধা বিচ মার্কেট সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, “বিচ মার্কেটের নামে ৫০০ কার্ডের বিপরীতে আমাদের কাছ থেকে মাথাপিছু প্রায় ৬০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে”। বৈধ কার্ড থাকার পরও দোকান ভাঙার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা এখন আইনি ব্যবস্থা ও আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজু বিন আফনান জানান, গত দুই দিন ধরে মাইকিং করে সতর্ক করার পরও যারা দোকান সরাননি, কেবল তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।