নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের গণমানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি নাম সাংবাদিক মোহাম্মদ মিজান রেজা। তিনি এম আরকে টিভির পরিচালক এবং সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগরের একজন সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও সামাজিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে কাজ করার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
একজন নিবেদিতপ্রাণ সংবাদকর্মী হিসেবে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি মানবকল্যাণমূলক কাজেও অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। তাঁরই প্রতিষ্ঠিত অরাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন “আশেকে মদিনা হোসাইনী কাফেলা” দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করছে। সংগঠনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর রুবি গেট এলাকায় প্রতিবছর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও তাজেদারে মদিনা সুন্নি কনফারেন্স ও মাহফিলের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়, আশেকে মদিনা হোসাইনী কাফেলার মাধ্যমে গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও হাসপাতালের রোগীদের মাঝে নিয়মিত খাবার পৌঁছে দেওয়ার মতো মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিশেষ করে চট্টগ্রামের শওকত বেওয়ারী হাসপাতালে অসহায় রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণের উদ্যোগ স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক ও আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ছোট শিশুদের জন্য ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাতে রাসূল (সা.) প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করা হয়। এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করেন তিনি।
এছাড়াও দেশের যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে, বিশেষ করে বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোহাম্মদ মিজান রেজার নেতৃত্বে আশেকে মদিনা হোসাইনী কাফেলা মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশের কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশংসার ঝড় তুলেছে।
সাংবাদিকতা, মানবসেবা এবং ধর্মীয়-সামাজিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে মোহাম্মদ মিজান রেজা আজ চট্টগ্রামের একজন সুপরিচিত মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মানুষের কল্যাণে তাঁর এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং কর্মযজ্ঞ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের।