​অবহেলার অবসান: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তাহেরের উদ্যোগে স্বস্তিতে ঢেমশাবাসী

মোঃ খোরশেদ আলম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ চিরে অবশেষে উন্নয়নের আলোয় আলোকিত হলো কেরানীহাট হতে ঢেমশা কার্তিকের দোকান সড়কের কালী মন্দির হতে কার্তিকের দোকান পর্যন্ত অংশটি। স্থানীয় কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব আবু তাহেরের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলে বহুল প্রতীক্ষিত এই সড়কটির উন্নয়ন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

দীর্ঘদিনের নরকযাতনা থেকে মুক্তি

সড়কের এই অংশটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল। খানাখন্দে ভরা রাস্তাটি সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ছোট-বড় গর্তগুলো কাদাপানিতে তলিয়ে গিয়ে এক একটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হতো। প্রতিনিয়ত ঘটতো ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এলাকার মানুষের যাতায়াত যেন এক নিত্যদিনের অভিশাপে রূপ নিয়েছিল।

“রাস্তাটির অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে বর্ষায় ঘর থেকে বের হওয়াই দায় হতো। আজ চেয়ারম্যান সাহেবের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা এই নরকযাতনা থেকে মুক্তি পেলাম।”

— একজন স্থানীয় পথচারী

চেয়ারম্যান আবু তাহেরকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ

জনগণের এই চরম ভোগান্তির বিষয়টি অনুধাবন করে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব আবু তাহের। তাঁরই আন্তরিক তত্ত্বাবধানে সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়।

বহু বছরের অবহেলিত এই সড়কটির ভোল বদলে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের মাঝে এখন আনন্দের জোয়ার বইছে। স্বস্তি ফিরে এসেছে পুরো এলাকায়। জনস্বার্থে এমন দ্রুত ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব আবু তাহেরের প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

লক্ষ্য এখন অবহেলিত সব রাস্তার সংস্কার

সড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে এবং জনসাধারণের স্বস্তি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজেই। ঢেমশার উন্নয়ন নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন:

“ঢেমশাবাসীর কষ্ট দূর করাই আমার মূল লক্ষ্য। ঢেমশার পথে-প্রান্তরে এখনো যে সমস্ত অবহেলিত রাস্তাঘাট রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে সংস্কার করে আমি সম্পূর্ণ জনদুর্ভোগ লাঘব করতে চাই। আমি যেন এই সেবামূলক কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারি, সেজন্য আপনাদের সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

রাস্তাটির এই আমূল পরিবর্তনের ফলে এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনি অবহেলিত ঢেমশাকে একটি আধুনিক ও আদর্শ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান আবু তাহেরের এই উদ্যোগ এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সুধীমহল।