সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল সচল: জাতীয় গ্রিডে বাড়ল গ্যাস সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ আগস্ট, ২০২৬

দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটের পর অবশেষে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীর সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জি—উভয় এলএনজি টার্মিনালই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করায় এ স্বস্তি মিলেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। এর ফলে কেবল এই দুটি টার্মিনাল থেকেই এলএনজিভিত্তিক সরবরাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে। আজ রাত দুইটার দিকে সামিট টার্মিনাল থেকে সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে ১ হাজার ৭৩০ মিলিয়ন ঘনফুটে। পরবর্তীতে দ্রুত ত্রুটি মেরামত করে রাতেই পুনরায় সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।

এদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিটের টার্মিনাল থেকেও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। ওই সময় সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট, যা পরে রাত ও ভোরে ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ থাকে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যায়। ফলে সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও চাহিদার তুলনায় সামগ্রিক ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি।